রাক্ষস (২০২৬)

নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয় বড় আকারের ছবি নির্মাণ করতে পারেন, তিনি তার দ্বিতীয় ছবি দিয়ে সেটা আবার প্রমাণ করেছেন।

বিগ বাজেটের ছবি করতে যে ভিশন এবং ম্যানেজমেন্ট ক্যাপাবিলিটি দরকার হয় সেটা তার আছে।

তবে প্রথম ছবি বরবাদ-এ তিনি গল্প বলাতে যে পারদর্শীতা দেখিয়েছিলেন দ্বিতীয় ছবি রাক্ষস-এ সেটা পারেননি।  

রাক্ষস এর গল্পটা খাপছাড়া হয়েছে। তাছাড়া অ্যানিমেল, কবির সিং খ্যাত ভারতীয় পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার বিভিন্ন ছবির স্টোরি থেকেও ইন্সপায়ার্ড মনে হয়েছে।

ছবিটি বড় পর্দায় দেখতে ভালো লেগেছে। লাক্সারিয়াস লুক, পশনেস সব ছিল।

ভিলেন চরিত্রে নির্মাতা আবরার আতহারকে মানিয়েছে। যদিও তার স্ক্রিন প্রেজেন্স কম ছিল।

এই ছবির সবচেয়ে বড় সফলতা ভিলেন চরিত্রে সোহেল মন্ডল। তার লুক, অভিনয় সব পারফেক্ট ছিল। পাওয়ারফুল ভিলেন হিসেবে তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।

নায়িকা প্রিয়াঙ্কার করার মত কিছু ছিল না। অভিনয়ও তেমন আহামরি কিছু করেননি। নায়িকা দরকার তাই তাকে রাখা হয়েছে।

রুশো স্যারের ক্যারেক্টারে যে অ্যাগ্রেসিভনেস বা পাওয়ার দরকার ছিল সেটা সিয়াম আনতে পারেননি। চুল-দাঁড়ি বড় করলেও তার চেহারায় একটা শিশুতোষ ব্যাপার রয়ে গেছে। তিনি ভায়োলেন্স ক্যারি করতে পারেননি, যেটা সোহেল মণ্ডল পেরেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *